মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ এপ্রিল ২০১৫

কারাতে

কারাতে অর্থ খালিহাতে খেলার একটি পদ্ধতি। বিকেএসপিতে কারাতে বিভাগ শুরম্ন হয় ২০১১ সালে ১২ জন শিক্ষার্থী এবং ১জন  কোচ নিয়ে। এই খেলা বরিশাল আঞ্চলিক কেন্দ্রে  শুরম্ন হয়। ১ বছর অনুশীলন করার পর তারা বরিশাল বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়। এই খেলাটি ৩য় শতাব্দীতে ভারতে শুরম্ন হয়। কিন্তু এর শুরম্নর এবং বিশ শতকের খেলার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এটি একটি আত্মরক্ষামূলক কৌশল। এটি চীনে শুরম্ন হয়েছিল দুই জনের মধ্যে যুদ্ধ বা মারামারি করার একটি কৌশল হিসেবে। এই মারামারির কৌশল থেকে কারাতে শিক্ষণের শুরম্ন হয়ছিল, যেটির বর্তমান নাম হলো কুংফু।   Bruce Lee এই করাতে খেলার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।  ঙশরহধধি দ্বীপের অধিবাসীদের বেঁচে থাকার জন্য এটি ছিল একটি আত্মরক্ষামূলক কৌশল। যেহেতু তখন অস্ত্র বহন করা নিষেধ ছিল। আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে তারা কারাতে পারদর্শী লোকদের সাথে রাখত। কারাতে খেলাটি শারীরিক যোগ্যতার সাথে সাথে মানসিক বুদ্ধিমত্তার উপর  নির্ভরশীল। ধরে নেয়া হয় এই আত্মরক্ষামূলক কৌশলকে কাজে লাগাতে শরীরকে যোগ্যতার প্রয়োজন ৪০% এবং বুদ্ধির প্রয়োজন ৬০%। কারাতে শিক্ষার্থীর প্রশিক্ষণ শুরম্ন হয় White Belf দিয়ে এবং শেষ হয় Black Belf দিয়ে। একজন শিক্ষার্থী  Black Belf পেলেই তাকে প্রশিক্ষক হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। ১৯৭০ সালে যখন মি. পারভেজ মিস্ত্রি জাপান থেকে ভারতে ফিরে আসেন তখনই ভারতে কারাতে খেলাটি পুনর্জন্ম লাভ করে। তার প্রশিক্ষণেই ভারতের ৯৫% খেলোয়াড় কারতে খেলায় প্রশিক্ষক্ষত হয় এবং তিনি এখনও ভারতে কারাতে জগতে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। কারাতে খেলার প্রধান কৌশলগুলো হলো Striking Kicking এবং Punching । এগুলো করা হয় শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ দিয়ে।  এখানে শরীরের বিভিন্ন অংশই অস্ত্র হিসেবে কাজ করে। প্রতিপক্ষক্ষর সাথে যুদ্ধ করার প্রধান অস্ত্রই হলো হাত এবং পা। একজন Black Belf প্রাপ্ত ব্যক্তি হাত অথবা পা দিয়ে ১৫০ কেজি ওজনের বরফের টুকরা অথবা একটির উপর একটি রাখা তিনটি ইট ভাঙ্গতে পারবে। দর্শকরা এটাকে মনে করেন একটি কৌশল, কিন্তু একজন শিক্ষার্থী কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমেই এই যোগ্যতা অর্জন করে থাকে। ভারতের বোম্বে শহরে কারাতে খেলার উপর ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে এবং এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে কারাতে প্রশিক্ষণের উপর। একটি শহরে কারাতে খেলার প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য অবশ্যই কিছু সুবিধা থাকতে হবে। একজন প্রশিক্ষক্ষত কারাতে খেলোয়াড়ের কিছু সুবিধাও রয়েছে। সে নিজের উপর আত্মবিশ্বাস ও সাহস নিয়ে শহরে চলাফেরা করতে পারে। একজন কারাতে প্রশিক্ষক্ষত মহিলা নিজেকে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। নিজেকে রক্ষা করার কৌশল হিসেবে অসংখ্য মহিলা সারা পৃথিবীতে এই প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে। পুরম্নষের শক্তির সাথে পেরে উঠার এটাই মহিলাদের একমাত্র উপায়। সারা পৃথিবীতে পুলিশদেরকেও এখন এই কারাতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচেছ। শিল্প-কলকারখানার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদেরকেও কারাতে প্রশিক্ষণ দেয়া হচেছ। কারাতে ও অন্য খেলার মধ্যে পার্থক্য হচেছ এখানে বয়সের বিষয়টি মোটেই বিবেচ্য নয়। অপেক্ষাকৃত বেশী বয়স্ক শিক্ষার্থীরাও বিভিন্ন কৌশল সহজেই শিখতে পারে। এগুলি তারা তাদের বুদ্ধির মাধ্যমে অর্জন করে থাকে। প্রতিপক্ষক্ষর বিরম্নদ্ধে এখানে তাকে শরীরের অপেক্ষাকৃত Vulnerable parts গুলিকে ব্যবহার করতে হয়। বয়সের কারণেই বরং তিনি সহজেই ধারন করতে পারেন Timing Judgement এবং সঠিক অভিজ্ঞতা। সবশেষে আমরা বলতে পারি কারাতে হলো একটি শিল্প,কৌশল, আত্মবিশ্বাস এবং প্রতিপক্ষক্ষর আক্রমণ বা আঘাত থেকে নিজে রক্ষার একটি উপায়। 


Share with :
Facebook Facebook