মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ জুলাই ২০১৫

ভলিবল

আমেরিকার ম্যাচুয়েটস্ অংগরাজ্যের মি. উইলিয়াম জি. মরগান ১৮৯৫ সালে খেলাটি প্রচলন করেন। মি. উইলিয়াম জি মরগান ছিলেন হলিওক নগরীর প্রধান। প্রাথমিকভাবে এ খেলার নাম ছিল ‘মেন্টুনেট’ এবং পরবর্তীতে ইহার নামকরণ হয় বাস্কেটবল। প্রথমদিকে খেলাটি বিনোদন হিসেবে নিলেও পরবর্তীতে সারা আমেরিকা জুড়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯০০ সালে কানাডা কোন বিদেশী দেশ হিসেবে এ খেলা শুরম্ন করে। আমত্মর্জাতিক YCA আন্দোলন সারা পৃথিবী জুড়ে ভলিবল ছড়িয়ে দিতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশন গঠিত হয়। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ প্রথম ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয় এবং সেই খেলায় ঢাকা ডি.এস.এ চ্যাম্পিয়ন ও কুমিলস্না ডি.এস.এ রানার আপ হয়। বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশন জাতীয় পর্যায়ের টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। যেমন : চ্যাম্পিয়নলিগ। বিজয়দিবস ভলিবল, যুব ভলিবল টুর্নামেন্ট ও আমত্ম:জেলা চ্যাম্পিয়নশিপ।

কয়েকজন ছাত্র ও একজন কোচ নিয়ে ১৯৯০ সালে বিকেএসপিতে ভলিবল চালু করা হয় কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত: চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ২০১২ সালে ১৫ জন প্রশিক্ষণার্থী ও একজন কোচ নিয়ে পুণরায় শুরম্ন করা হয়। বর্তমানে এ খেলার ছাত্রসংখ্যা ২০জন। বছরে প্রশিক্ষণ চারমাস ধরে তিনভাগে ভাগ করা হয়। প্রতি চার মাস পর পর প্রশিক্ষণার্থীর পারফরমেন্স বিচার করে মূল্যায়ন করা হয়।

কিন্তু জরম্নরী নীতির উপর ভিত্তি করে ভলিবল দল গঠন করা হয়। এক্ষেত্রে প্রেষণা, যোগাযোগ ও নেতৃত্বের উপর জোর দেওয়া হয়। প্রতিটি কোচ তার নিজস্ব চিমত্মাভাবনা ও দক্ষতা দিয়ে দলের মধ্যে টিমওয়ার্ক গড়ে তুলে যেটা তাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাহায্য সহযোগিতা অবশ্যই দরকার। গল গঠনে দায়িত্ববোধ, আচার ব্যবহার ও মূল্যবোধ থাকতে হবে। সংশিস্নষ্ট কোচ এ ব্যাপারে সিদ্ধামত্ম নেবেন। আমরা আশা করি প্রতিষ্ঠানের সঠিক দিক নির্দেশনা মাধ্যমে গমত্মব্যস্থলে পৌছতে পারব।


Share with :
Facebook Facebook