মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ জুলাই ২০১৫

বাস্কেটবল

১৯৯৭ সালে খেলাটি চালু হয়। জুনিয়র ও সিনিয়র উভয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণার্থীরা ভাল ফলাফলের স্বাক্ষর রেখেছে। জাতীয় স্কুল চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতায় প্রতিবারই অংশগ্রহণ করেছে এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ভারতে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে তারা তিনবার চ্যাম্পিয়ন ও দুইবার রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। জাতীয় বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায় বিকেএসপি চ্যাম্পিয়ন স্থান ধরে রেখেছে। অবকাঠামোগত সব সুযোগ সুবিধাই এখানে রয়েছে।

 

আমেরিকা বাস্কেটবল খেলার প্রচলন করে। শারীরিক শিক্ষাকলেজের প্রিন্সিপাল ড. জেমস্ নেই স্মিথ এ খেলার উদ্ভাবক। প্রতিটি দলে ৫ জন খেলোয়ার নিয়ে দুইটি দলের মধ্যে খেলাটি হয়ে থাকে। (২৮ মি X ১৫ মি) মাপের একটি আয়তাকার মাঠের মধ্যে খেলাটি হয়ে থাকে। বদলি খেলোয়ারসহ প্রতিটি দলে দশজনের বেশি খেলোয়াড় থাকতে পারবে না। এক রংয়ের সামনে ও পিছনে (৪-১৫) নম্বর সম্বলিত গেঞ্জি পরে খেলায় অংশগ্রহণ করে। ১০ মিনিট করে ৪ বারে মোট ৪০ মিনিট (প্রতিবারে ২ মিনিট বিরতি) খেলাটি হয়ে থাকে। খেলা শুরম্ন হওয়ার ২০ মিনিট আগে উভয় দলের কোচ খেলোয়াড়দের তালিকা জমা দেবে। কোর্টের কেন্দ্রবিন্দু থেকে একটি জাম্প বলের মাধ্যমে রেফারি খেলাটি শুরম্ন করে থাকে। যখন কোন খেলোয়াড় একটি রিং এর মধ্য দিয়ে বল প্রবেশ করাতে পারে তখন তাহা গোল হয় এবং ২ পয়েন্ট হয়। যদি ৬.২৫ মি. দূর থেকে স্কোরটি হয় তখন ৩ পয়েন্ট গননা করা হয়। ফ্রি থ্রো থেকে স্কোর করলে ১ পয়েন্ট গণনা করা হবে। যদি দৈবক্রমে পিছন থেকে বলটি বাস্কেটে প্রবেশ করে তখন তাহা ডেড বল বলে গণ্য হবে এবং কাছের কোন রেখা থেকে জাম্পবলের মাধ্যমে খেলাটি শুরম্ন হবে। যে দল বেশী স্কোর করবে সে দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। সমান সমান পয়েন্ট এ টাই হলে অতিরিক্ত ৫ মিনিট খেলা চলতে থাকবে। 


Share with :
Facebook Facebook