মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৭ এপ্রিল ২০১৫

টেবিল টেনিস

নামকরণ : খেলাটির প্রথম নাম ছিল গসিমা, তারপর পিংপং ও বর্তমানে ইহার নাম টেবিল টেনিস।

২০১২ সালে ২৪ জন বালক নিয়ে বিভাগটি চালু হয় এবং পরবর্তীতে ২০১৩ সালে ৬ জন বালক নিয়ে বর্তমানে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ জন।

স্থান : বিকেএসপি, খুলনা।

অবকাঠামোগত সুবিধা : ১২০ ফুট লম্বা ৮ ফুট প্রশসত্ম ও ৪০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট জিমনেসিয়ামে ১২টি টেবিল স্থাপন করা হয়েছে। জাতীয় টেবিল টেনিসে চ্যাম্পিয়ন ও আইটিটিএফ লেভেল-২ সম্পন্ন করেছে এমন দুজন এখানে কর্মরত আছেন। সুতরাং আমরা চেষ্টা করছি আমত্মর্জাতিক মানের খেলোয়াড় করা।

স্পোর্টস হচ্ছে একটি চলমান দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতি। আমি মনে করি বিকেএসপি তার ঠিক অবস্থানেই আছে। ১৭টি বিভাগ অনেক আমত্মর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরী করে আসছে। খেলোয়াড়দের শারীরিক সুস্থতার জন্য রয়েছে ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগ। প্রশিক্ষণার্থীদের শারীরিক সুস্থতার জন্য এ বিভাগটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে আসছে। চতুর্থ থেকে সণাতক শ্রেণি পর্যমত্ম অধ্যয়নরত প্রশিক্ষণার্থীরা ১৭টি খেলায় প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে।

আমেরিকা ও চীন প্রথম এ খেলায় অংশগ্রহণ করে। প্রেসিডেন্ট নিক্সন ও মসট্যাং এ খেলার ব্যাপারে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন।

টেবিল টেনিস চীন দেশের জাতীয় খেলা। চীনে ২০ কোটি নিবন্ধনকৃত টেবিল টেনিস খেলোয়াড় রয়েছে। রাসত্মার ধারে, পার্ক, অফিস আদালতে, কলেজ ও বিশ^বিদ্যাললসহ সর্বত্রই এ খেলার অনুশীলন করা হয়। বর্তমানে এ খেলায় চীন এককভাবে প্রাধান্য ধরে রেখেছে।

  • জোবেরা রহমান লিনু ১৬ বার মহিলা জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
  • ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের বস্নু প্রাপ্তরা হলেন কিসলু, মাহবুব, বিলস্নাহ, রম্নমি, গৌতম ও টুম্পা।
  • জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-লিনু, রচি, কচি ও সাদি।
  • এস.এ পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন-রচি ও মাহবুব।

টেবিল টেনিস ইভেন্টস : সিংগেলস্ ডাবলস্ মিক্সড ডাবলস্ এবং টিমস=৪ ইভেন্টস্। 


Share with :
Facebook Facebook