মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ জুলাই ২০১৬

জুডো

জুডো খেলার ভূমিকা ও গুরম্নত্বঃ

কোন ধরনের অস্ত্র ছাড়াই খালি হাতে আত্মরক্ষার করার জন্য কারাতে, বক্সিং, উশু, কুংফু প্রভৃতি যত রকমের আত্মরক্ষা মূলক কৌশল রয়েছে তার মধ্যে জুডো অন্যতম একটি কৌশল বা খেলা। এ খেলার কৌশল দ্বারা প্রতিপক্ষকে খুব সহজেই ঘায়েল বা পরাজিত করা যায়। সে কারণে জুডো শব্দটির অর্থ বিশেস্নষণ করলে দাঁড়ায় ‘জু’ অর্থ ‘ভদ্র’ আর ‘ডো’ অর্থ ‘পথ’ অর্থাৎ ভদ্র পথে বা উপায়ে আত্মরক্ষা করা। জুডো প্রতিযোতার নিয়ম কানুণ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, শৃঙ্খলা এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবে নিজেকে অন্যান্য মার্শাল আর্ট থেকে আলাদা ভাবে গড়ে  তোলার ক্ষেত্রে জুডো খেলার ভূমিকা অপরিসীম। বিশ্বে প্রায় ৪ লক্ষের ও বেশি নারী-পুরম্নষ ও শিশু জুডো অনুশীলন করে।

জুডোর ইতিহাসঃ 

জুডো একটি জাপানি খেলা। জাপানি খেলা ‘জুজুৎসু’র আধুনিক রূপায়ন হচ্ছে ‘জুডো’। এই জডো খেলার প্রবর্তকের নাম হচ্ছে ডঃ জিগারো কানো। জিগারো কানো জাপানের সমুদ্র তীর বর্তী শহর মিকাগে ১৮৬০ সালে জন্মগ্রহন করেন।১৮৭১ সালে কানোর পরিবার টোকিও-তে আসেন। কানোর বয়স যখন ১৮ বছর তখনও তিনি শারীরিক ভাবে খুব দুর্বল ছিলেন, তাই তিনি নিজেকে দৈহিক ভাবে উন্নত করার জন্য জাপানের দুইটি ‘জুজুৎসু’  স্কুলে ভর্তি হন। কিন্তু তিনি সেখানে দেখতে পান নিষ্প্রয়োনীয় কঠিন এবং যন্ত্রনা দায়ক কৌশলের প্রয়োগ, যার ফলে অনুশীলনে ব্যথা (ইনজুরি হওয়ার ) পাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না। মূলত এই বিষয়টি কানোকে ভাবিয়ে তোলে এবং এপরিপ্রেক্ষিতেই পরবর্তীতে কানো ‘জুজুৎসু’ থেকে ‘জুডো’ খেলাটি প্রবর্তন করেন। কানো নতুন পদ্ধতির নাম দেন ‘কোদোকান জুডো’। ‘জুডো’ অর্থ ভদ্র পথ এবং ‘কোদোকান’ অর্থ বিশেস্নষণ করলে দাঁড়ায়- জীবন সম্পর্কে সম্যক ধারনা। ১৮৮২ সালে নয় জন প্রশিক্ষর্ণাথী নিয়ে কোদোকান তার প্রথম পদযাত্রা শুরম্ন করে।

পরবর্বিতে কানোর নিরলস প্রচেষ্টা ও অক্লামত্ম পরিশ্রমের ফলে ১৮৯২ সালের মধ্যে জুডো খেলাটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯৩২ সালে লস এঞ্জেলাসে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমসে ২০০ জন জুডোকা নিয়ে প্রথম জুডোর বিভিন্ন কলাকৌশল প্রদর্শন করেন। ১৯৬৪ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক গেমসে প্রথম জুডো ইভেন্ট অমত্মভূক্ত হয়।

জুডোতে বেল্ট ও ড্যান পরীÿার মাধ্যমে একজন জুডোকা বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে পর্যায় ক্রমে প্রশিÿনের সর্বোচ্চ সত্মরে গিয়ে পোঁছায়। সর্বোচ্চ ১০ ড্যান পর্যমত্ম রয়েছে। কোদোকান ইন্সটিটিউট থেকে এ পর্যমত্ম ১৫ জন ১০ম ড্যান অর্জন করতে পেরেছে। মূলত এই বেল্ট ও ড্যান অর্জন করার জন্য জুডোর বিভিন্ন কৌশল ও Kata (Basic) সম্পর্কে সম্যক ধারনা থাকতে হবে। Shiro Saigo প্রথম জুডোকা  যিনি প্রথম ড্যান অর্জন করেন। জুডো’র প্রচার ও প্রসারে অগ্যগন্য ভূমিকা পালন করার জন্য Yoshitsugu Yamashita কে ১৯৩৫ সালে ডঃ জিগারো কানো ১০ ড্যান এর পদমর্যাদায় ভূষিত করেন। জুডোর কাতা আছে ১০টি। কোদোকান ইষ্টিটিটিউট থেকে স্বীকৃত ১০টি কাতা-

  1. Nage – no – kata
  2. Katame – no – kata
  3. Keme – no – kata
  4. Kodokan goshinjutsu
  5. Ju – no –kata
  6. Go – no –kata
  7. Itsutsu – no – kata
  8. Koshiki – no – kata
  9. Seiryoku Zehyo Kokumin Taiiku
  10. Joshi goshinho

জুডো প্রতিযোগিতায় দুইটি ভাগ রয়েছে। কাতা ও ফাইট International Judo Federation ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। IJF (International Judo Federation) এর নিয়মানুসারে সাধারনত বিভিন্ন প্রতিযোগিতা পরিচালিত হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন সময়  টুর্নামেন্ট কমিটি তাদের নিজস্ব কিছু নিয়ম কানুন ও অনুসরণ করে থাকে। আই.জে.এফ এর নিয়মানুসারে জুডো খেলার সময় ৫ মিনিট। এই খেলায় পয়েন্ট রয়েছে ৩টি। ইয়োকো, ওয়াজারি ও ইপ্পন। কোন প্রতিযোগী যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইপ্পন লাভ করে তাৎÿনিক খেলা শেষ হয়ে যায়। যদি কোন প্রতিযোগী ২বার ওয়াজারি  পয়েন্ট পায় তখন তাকে দুই ওয়াজারি ইপ্পন সমতুল্য বলে গন্য হয়। কিন্তু যতবারই ইয়োকো পয়েন্ট হোক না কেন তা কখনো ইপ্পন সমতুল্য হবে না। এছাড়া পেনাল্টি ও রয়েছে ২টি। সিদো ও হানসুকোমাকে। কেউ যদি প্রথম বার সিদো পায় তাহলে সেটা তার জন্য সতর্ক সংকেত। ২ বার দদো পেলে প্রতিপÿ ইয়োকো পয়েন্ট লাভ করে। ৩ বার সিদো পেলে প্রতিপÿ ওয়াজারি পয়েন্ট লাভ করে এবং ৪ বার সিদো হলে হানসুকো মাকে দেওয়া হয়। এবং সেÿÿত্রে উক্ত প্রতিযোগী আর খেলতে পারে না।

আত্নরÿার অন্যতম কৌশল হিসেবে বর্তমানে জুডোর ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটেছে এবং দিনে দিনে এর জনপ্রিতা বেড়েই চলেছে। বর্তমানে জুডো খেলাটি সাফ গেমস, সাউথ এশিয়ান জুডো প্রতিযোগিতা, কমনওয়েথ গেমস, অলিম্পিক গেমসে অমত্মভূক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী পর্যায়ে ১৯৭২ সালে জুডো ফেডারেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। বিজেএফ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহনের মাধ্যমে দেশে মেধাবী জুডোকা গড়ে তুলতে কার্যকরী পদÿÿপ গ্রহণ করেছে।

 

বিকেএসপিতে জুডোঃ

২০০৯ সালে বোর্ড অব গভর্নেন্স মিটিং এ সিদ্ধামত্ম অনুসারে তৎকালীন মহা পরিচালক মহোদয় ব্রিগ্রেডিয়ার জেনারেল শওকত আলী পিএসসির আমত্মরিক প্রচেষ্ঠায়  ২৬ ফেব্রম্নয়ারি ৮ জন প্রশিক্ষণার্থী ও একজন প্রশিক্ষক এর তত্তাবধানে বিকেএসপিতে সর্ব কনিষ্ঠ খেলা হিসেবে জুডোর পদযাত্রা শুরম্নহয়। বর্তমানে ২ জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের তত্তাবধানে ০৯জন ছেলে ও ৭ জন মেয়ে প্রশিক্ষনার্থীকে জুডো প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এ স্বল্প পরিসরে জুডো বিভাগের প্রশিক্ষণার্থীরা অত্যামত্ম সফলতার সাথে ৮ম বাংলাদেশ গেমস এবং ৩২তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা ২০১৩,অংশগ্রহণ করে ৩টি স্বর্ণ পদক, ৩টি রৌপ্য পদক ও ৫টি তাম্র পদক অর্জন করে। সাউথ এশিয়ান ক্যাডেট জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ ঢাকা - ২০১২, ৫টি স্বণ পদর্ক, ৬টি রৌপ্য পদক, ৩টি তাম্র পদক অর্জন করে। থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল নর্থ ব্যাংকক ইউনিভারসিটি জুডো প্রতিযোগিতা ব্যাংকক - ২০১২, ৫ম এস্থান, সাউথ এশিয়ান ক্যাডেট জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ নেপাল - ২০১১, ১টি স্বর্ণ পদক, ১টি রৌপ্য পদক, ৩টি তাম্র পদক অর্জন করে। ৩১তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা ২০১১, ২টি স্বর্ণ পদক, ১ রৌপ্য পদক, ২টি তাম্র পদক অর্জন করে। বিজয় দিবস জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১১, ৩টি স্বর্ণ পদক, ১টি তাম্র পদক পেয়ে দলগত ভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরভ অর্জন করেন। স্বাধীনতা দিবস জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১১, ৫টি স্বর্ণ পদক, ১টি রৌপ্য পদক পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরভ অর্জন করে। ৩০তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা ২০১০ অংশগ্রহণ করে ১টি স্বর্ণ পদক, ১টি রৌপ্য পদক ও ৫টি তাম্র পদক অর্জন করে। উন্মুক্ত মহিলা জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১০, ২টি স্বর্ণ পদক, ২টি তাম্র পদক পেয়ে রানার্স আপ হয়। পাকিসত্মানে অনুষ্ঠিতব্য আসন্ন সাউথ এশিয়ান জুডো প্রতিযোগিতার বাছাই পর্বে ৪ জন প্রশিক্ষণার্থী সুযোগ লাভ করে এবং পরবর্তীতে চূড়ামত্ম বাছাই পর্বে ২জন জুডোকা ৫২ কেজি এবং ৬৩ কেজি ওজন শ্রেণীতে খেলায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ লাভ করে। আশা করা যায় অদূর ভবিষ্যতে সুব্যবস্থিত এবং সঠিক পদ্ধতি সম্পন্ন প্রশিক্ষণেই মাধ্যমে বিকেএসপির জুডো বিভাগের প্রশিক্ষণার্থীরা প্রতিষ্ঠানের সুনাম বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

 

বিভাগের প্রশিÿকগনের নামঃ

নাম ও পদমর্যাদা

সময়

১. শেখ কাউছার আলী

২০০৯ - ২০১০

২. মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক

    ৩য় ড্যান ( কোদোকান জাপান )

    ৪র্থ ড্যান ( বিজেএফ )

    কোচিং ডিল্পোমা ( জাপান )

    কোচিং ডিল্পোমা ( হাঙ্গেরী )

    কোচ বিকেএসপি

২০১০

৩. ফারহানা হালিম

   ১ম ড্যান ( কোদোকান জাপান )

   ২য় ড্যান ( বিজেএফ )

   কোচ বিকেএসপি

২০১০

বিভাগের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমঃ

দুই জন অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে জুডো প্রশিক্ষনার্থীদের সকাল ও বিকালে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। IJF (International Judo Federation) এর নিয়ম-কানুন অনুসারে প্রশিক্ষণার্থীদের জাতীয় ও আমর্ত্মজার্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে দৈহিক ও মানবিকভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণার্থীদের শুধুমাত্র জুডো প্রশিক্ষণ নয়। পাশাপাশি একঘেয়েমি দূর করার জন্য তাদের বিনোদনের জন্য অন্যান্য খেলার ও সুযোগ দেওয়া হয়।  বিভিন্ন আমর্ত্মর্জাতিক প্রতিযোগিতার ভিডিও ফুটেজ ও তাদের দেখানো হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় তাদের অংশগ্রহণ সংক্রামত্ম ভিডিও ফুটেজ ও তাদের দেখানো হয়, যাতে কোন বিষয়ে তারা দুর্বল তা সহজেই নিজেরা চিহ্নিত করতে পারে এবং তাদের ভুল তারা নিজেরাই শুদরাতে পারে। গেম ভীতি ও মানসিক দুর্বলতা দূর করার জন্য বিভিন্ন ক্লাব ও সংস্থার সাথে প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়।  জুডো খেলাটি আমাদের দেশে ক্রিকেট ফুটবলের মতো এত জনপ্রিয় তা না পেলে ও বর্তমানে অনেকেই নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য জুডো অনুশীলনের প্রতি নজর দিচ্ছে।

 

উপসংহারঃ

            লোকে বিভিন্ন কারণে জুডো অনুশীলন করে যেমনঃ আত্মরক্ষার জন্য, সামাজিক ও সক্রিয়তার জন্য এবং অনেকে জুডো অনুশীলন করে জীবনকে সুন্দরভাবে, সু-শৃঙ্খলভাবে সুসংহত করার লক্ষ্যে অনেকেই আবার বিনোদনের জন্য ও জুডো শিখে। সর্বোপরি জুডো নমনীয়, ক্ষিপ্রগতি সম্পন্ন, সবল, সুষম ও বলিষ্ঠ হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

 

লÿ্যঃ

জাতীয় এবং আমর্ত্মজাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের জন্য প্রশিÿনার্থীদের শারীরিক ও মানসিক ভাবে দÿ করে তোলা।

বিভাগের সাফল্যঃ

২০০৯ থেকে বিকেএসপিতে জুডো অমত্মর্ভূক্ত হওয়ার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যমত্ম জুডো প্রশিক্ষণার্থীরা ১০টি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে। তথাপি বিকেএসপির প্রশিক্ষণার্থীরা এই দশ’টি প্রতিযোগিতায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তাদের ক্রীড়ানৈপুন্য তুলে ধরে।

 

 

বিকেএসপিতে জুডো বিভাগের সাফল্য গাঁথা নিম্নরূপঃ

নং

প্রতিযোগিতার নাম

সাল

স্বর্ণ

রোপ্য

তাম্র

অবস্থান

০১

৮ম বাংলাদেশ গেমস ও ৩২তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা

২০১৩

৪র্থ স্থান

০২

থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল নর্থ ব্যাংকক ইউনির্ভাসিটি জুডো প্রতিযোগিতা

২০১২

-

-

-

৫ম স্থান

০৩

সাউথ এশিয়ান ক্যাডেট জুডো প্রতিযোগিতা ( ঢাকা )

২০১২

রানার্স আপ

০৪

সাউথ এশিয়ান ক্যাডেট জুডো প্রতিযোগিতা ( নেপাল )

২০১১

৩য় স্থান

০৫

সাউথ এশিয়ান জুডো প্রতিযোগিতা ( পাকিস্থান )

২০১১

-

-

-

 

০৬

বিজয় দিবস জুডো প্রতিযোগিতা

২০১১

-

চ্যাম্পিয়ন

০৭

স্বাধীনতা দিবস জুডো প্রতিযোগিতা

২০১১

-

চ্যাম্পিয়ন

০৮

৩১তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা

২০১১

৩য় স্থান

০৯

৩০ তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা

২০১০

৪র্থ স্থান

১০

উন্মুক্ত মহিলা জুডো প্রতিযোগিতা

২০১০

-

রানার্স আপ

  

আমত্মর্জাতিক সফলতাঃ

একক সফলতা (সাউথ এশিয়ান ক্যাডেট জুডো প্রতিযোগিতা ( ঢাকা - ২০১২ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

সেজান আহমেদ জাহান

-৫০ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

স্বর্ণ

২.

প্রিয়াংকা আক্তার

-৩৬ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১২

স্বর্ণ

৩.

শারমিন আক্তার অমত্মরা

-৪৪ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

স্বর্ণ

৪.

সিংমা প্রম্ন মারমা

+৪০ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১২

স্বর্ণ

৫.

সোমাইয়া আক্তার সীমা

-৫২ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

স্বর্ণ

৬.

লাতিফুজ্জামান সিদ্দিকী

+৪২ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১২

রৌপ্য

৭.

ইকরামুল হোসেন রিজয়

-৪৫ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

রৌপ্য

৮.

মোঃ আমিরম্নল ইসলাম সম্রাট

-৪২ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১২

রৌপ্য

৯.

তাহমিদা তাবাচ্ছুম

+৪০ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১২

রৌপ্য

১০.

ফাতেমা তুজ- জোহোরা

-৪৪ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

রৌপ্য

১১.

ড সুইশিং চৌধুরী কামত্মা

+৫২ কেজি (১৬বছর)

ঢাকা

২০১২

রৌপ্য

১২.

মোঃ তন্ময় আলী

+৪২ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১২

তাম্র

১৩.

মোহাম্মদ আসাদুজ্জোহা বাঁধন

-৬০ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

তাম্র

১৪.

মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী

+৬০ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

তাম্র

১৫.

দীপু সুলতান দূর্যয়

+৬০ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১২

অংশগ্রহণ

 

 

একক সফলতা (সাউথ এশিয়ান ক্যাডেট জুডো প্রতিযোগিতা ( নেপাল - ২০১১ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

আশরাফি আক্তার তৃষা

-৪৮ কেজি (১৬ বছর)

নেপাল

২০১১

স্বর্ণ

২.

মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী

-৬০ কেজি (১৬ বছর)

নেপাল

২০১১

রৌপ্য

৩.

শারমিন আক্তার অমত্মরা

-৪৪ কেজি (১৬ বছর)

নেপাল

২০১১

তাম্র

৪.

মোঃ আসাদুজ্জোহা বাঁধন

+৫৫ কেজি (১৬ বছর)

নেপাল

২০১১

তাম্র

৫.

লাতিফুজ্জামান সিদ্দিকী

-৩৮ কেজি (১৩ বছর)

নেপাল

২০১১

তাম্র

৬.

ইকরামুল হোসাইন রিজয়

-৩৪ কেজি (১৩ বছর)

নেপাল

২০১১

অংশগ্রহণ

৭.

সেজান আহম্মেদ জাহান

+৪২ কেজি (১৩ বছর)

নেপাল

২০১১

অংশগ্রহণ

৮.

মোহাম্মদ নাজিব হিশাম সানি

-৫০ কেজি (১৬ বছর)

নেপাল

২০১১

অংশগ্রহণ

 

 

একক সফলতা (থাইল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল নর্থ ব্যাংকক ইউনিভারসিটি জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ ( ব্যাংকক - ২০১২ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী

নাগেনো কাতা

ব্যাংকক

২০১২

৫ম

২.

মোহাম্মদ আসাদুজ্জোহা বাঁধন

নাগে-নো কাতা

ব্যাংকক

২০১২

৫ম

৩.

সিংমা প্রম্ন মারমা

-৫২ কেজি

ব্যাংকক

২০১২

অংশগ্রহণ

৪.

সোমাইয়া আক্তার সীমা

-৪৮ কেজি

ব্যাংকক

২০১২

অংশগ্রহণ

৫.

শারমিন আক্তার অমত্মরা

-৪৫ কেজি

ব্যাংকক

২০১২

অংশগ্রহণ

৬.

মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী

-৬০ কেজি

ব্যাংকক

২০১২

অংশগ্রহণ

৭.

মোহাম্মদ আসাদুজ্জোহা বাঁধন

-৫৫ কেজি

ব্যাংকক

২০১২

অংশগ্রহণ

 

 

একক সফলতা (সাউথ এশিয়ান জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ ( পকিসত্মান - ২০১১ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

ফারহানা হালিম

-৬৩ কেজি

পাকিসত্মান

২০১১

অংশগ্রহণ

২.

সোমাইয়া আক্তার সীমা

-৫২ কেজি

পাকিসত্মান

২০১১

অংশগ্রহণ

 

 

জাতীয় সফলতাঃ

একক সফলতা ( ৮ম বাংলাদেশ গেমস এবং ৩২তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১৩ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

সিংমা প্রম্ন মারমা

-৫৭ কেজি

ঢাকা

২০১৩

স্বর্ণ

২.

সোমাইয়া আক্তার সীমা

-৫২ কেজি

ঢাকা

২০১৩

স্বর্ণ

৩.

শারমিন আক্তার অমত্মরা

৪৮ কেজি

ঢাকা

২০১৩

স্বর্ণ

৪.

লাতিফুজ্জামান সিদ্দিকী

-৪৫ কেজি

ঢাকা

২০১৩

রৌপ্য

৫.

ফাতেমা  তুজ- জোহরা

-৪৪ কেজি

ঢাকা

২০১৩

রৌপ্য

৬.

ড সুইশিং চৌধূরী কামত্মা

-৫৭ কেজি

ঢাকা

২০১৩

রৌপ্য

৭.

ইকরামুল হোসেন রিজয়

-৪৫ কেজি

ঢাকা

২০১৩

তাম্র

৮.

সেজান আহমেদ জাহান

-৫০ কেজি

ঢাকা

২০১৩

তাম্র

৯.

মোহাম্মদ নাজিব হিশাম সানি

-৫৫ কেজি

ঢাকা

২০১৩

তাম্র

১০.

এস.এম. জাহাঙ্গীর আলম রনি

-৭৩ কেজি

ঢাকা

২০১৩

তাম্র

১১.

ফারহানা হালিম

-৬৩ কেজি

ঢাকা

২০১৩

তাম্র

১২.

মোহাম্মদ আসাদুজ্জোহা বাঁধন

-৬০ কেজি

ঢাকা

২০১৩

অংশগ্রহণ

১৩.

তাহমিদা তাবাচ্ছুম

-৪৪ কেজি

ঢাকা

২০১৩

অংশগ্রহণ

১৪.

প্রিয়াংকা আক্তার

-৪০ কেজি

ঢাকা

২০১৩

অংশগ্রহণ

 

একক সফলতা ( ৩১তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১৩ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

সেজান আহমেদ জাহান

-৪৫ কেজি

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

২.

শারমিন আক্তার অমত্মরা

-৪৮ কেজি

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

৩.

ফারহানা হালিম

-৬৩ কেজি

ঢাকা

২০১১

রৌপ্য

৪.

মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী

-৫৫ কেজি

ঢাকা

২০১১

তাম্র

৫.

মোহাম্মদ আসাদ্দুজ্জোহা বাঁধন

-৫৫ কেজি

ঢাকা

২০১১

তাম্র

৬.

মোহাম্মদ নাজিব হিশাম সানি

-৫০ কেজি

ঢাকা

২০১১

অংশগ্রহণ

 

একক সফলতা ( বিজয় দিবস জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১১ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

মোহাম্মদ আসাদ্দুজ্জোহা বাঁধন (সেরা খেলোয়াড়)

+৪০ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

২.

আশরাফি আক্তার তৃষা ( সেরা খেলোয়াড়)

+৩৬ কেজি (১৬ বছর)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

৩.

সিংমা প্রম্ন  মারমা ( সেরা খেলোয়াড় )

+২৫ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

৪.

লাতিফুজ্জামান সিদ্দিকী

+২৬ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

৫.

ইকরামুল হোসেন রিজয়

+২৬ কেজি (১৩ বছর)

ঢাকা

২০১১

রৌপ্য

 

 

একক সফলতা ( স্বাধীনতা দিবস জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১১ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

ইকরামুল  হোসেন রিজয়

(১২ বছরের মধ্যে)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

২.

আশরাফি আক্তার তৃষা ( সেরা খেলোয়াড়)

(১৬ বছরের মধ্যে)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

৩.

মোহাম্মদ আসাদ্দুজ্জোহা বাঁধন

(১৬ বছরের মধ্যে)

ঢাকা

২০১১

স্বর্ণ

৪.

লাতিফুজ্জামান সিদ্দিকী

(১৬ বছরের মধ্যে)

ঢাকা

২০১১

তাম্র

 

 

একক সফলতা ( ৩০তম জাতীয় জুডো প্রতিযোগিতা - ২০১০ )

নং

নাম

ওজন

স্থান

সন

পদক

১.

ফারহানা হালিম

-৬৩ কেজি

ঢাকা

২০১০

স্বর্ণ

২.

সোমাইয়া আক্তার

-৫২ কেজি

ঢাকা

২০১০

রৌপ্য

৩.

ফারিয়া নওরিন

-৪৮ কেজি

ঢাকা

২০১০

তাম্র

৪.

শারমিন আক্তার অমত্মরা

-৪৪ কেজি

ঢাকা

২০১০

তাম্র

৫.

মোহাম্মদ সাদ্দাম গাজী

-৫৫ কেজি

ঢাকা

২০১০

তাম্র

৬.

সেজান আহমেদ জাহান

-৪৫ কেজি

ঢাকা

২০১০

তাম্র

৭.

মোহাম্মদ নাজিব হিশাম সানি

-৪৫ কেজি

ঢাকা

২০১০

তাম্র

৮.

মোহাম্মদ আসাদ্দুজ্জোহা বাঁধন

-৫০ কেজি

ঢাকা

২০১০

অংশগ্রহণ

৯.

আশরাফি আক্তার তৃষা

-৪৪ কেজি

ঢাকা

২০১০

অংশগ্রহণ

 


Share with :
Facebook Facebook